রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ৯:৩১
শিরোনাম :
বিএমপি’র বন্দর থানায় মাদক ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানে ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে

নরসিংদীর রায়পুরায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী পলাতক

অরবিন্দ রায়  নরসিংদীর রায়পুরায় পারিবারিক কলহের জেরে আফসানা আক্তার আফসার (২৮) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনার পর থেকে স্বামী হযরত আলী (৩৮) পলাতক রয়েছে।

গত বুধবার ৮ জুন রাতে উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের নলবাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে রাতেই আফসানার মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী মর্গে প্রেরণ করেছে।

আজ নিহতের মা হাসনা হেনা বেবি বাদী হয়ে স্বামী সহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে রায়পুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

নিহত আফসানা আক্তার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের করিমগঞ্জ এলাকার আফসার উদ্দিনের মেয়ে। অপরদিকে স্বামী হযরত আলী একই ইউনিয়নের নলবাটা এলাকার সিদ্দিক মিয়ার ছেলে। তাদের দাম্পত্য জীবনে ৩ সন্তানের জন্ম হয়।
মামলার এজাহারে জানা যায়, স্বামী হযরত বিদেশে যাওয়ার সময় ৩ লক্ষ টাকা নেয়। পরে বিদেশ থেকে আসার পর আফসানাকে বাপের বাড়ি থেকে আরো ১ লক্ষ টাকা নিয়ে আসার জন্য বলে। এ নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে গতকাল রাতে এরই জেরে আফসানাকে গলা কেটে হত্যা করে স্বামী পালিয়ে যায়।

নিহত আফসানার মেয়ে ছোঁয়া জানায়, রাতে তার মাকে হত্যার পর তার বাবার হাতে রক্ত দেখতে পায় তার ছোট ভাই সাইফ। পরে হাতে রক্ত লেগে থাকার কারন জানতে চাইলে তার বাবা বলেন একটি মুরগী জবাই করেছেন তিনি। এরপরই তারা মায়ের মরদেহ দেখতে পায়। পরে তারা দৌঁড়ে গিয়ে নানু বাড়িতে মা’য়ের খবর জানায়৷

স্বামীর পরিবারের লোকজন জানায়, ১২ বছর আগে এ দম্পতির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই আফসানা পরকীয়ায় আসক্ত ছিলো। স্বামী হযরত আলী মালয়েশিয়া থেকে দেড় মাস আগে ছুটিতে আসেন। এরপর এসব বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রতিনিয়তই ঝগড়া হয়৷ এক পর্যায়ে হযরত আলী আফসানাকে ঘরের পিছনে নিয়ে জবাই করে হত্যা করে।

এব্যাপারে নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বাণ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, পারিবারিক কলহের জেরেই এ হত্যাকান্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।